ঢাকায় হাসপাতালে রোগীর এটেন্ডেন্ট
Care Excellence এর হাসপাতাল এটেন্ডেন্ট ঢাকায় আপনার রোগীর কেবিন বা ওয়ার্ডে তাঁর সাথে থাকেন, খাওয়ানো, পরিচ্ছন্নতা, নড়াচড়ায় সাহায্য এবং অবস্থার পরিবর্তন হলে হাসপাতালের কর্মীদের ডাকার কাজ করেন। খরচ হলো সাধারণ কর্মী রেটের সাথে হাসপাতাল সারচার্জ: কেবিনে দিনে ৳২০০, বা কমন ওয়ার্ডে দিনে ৳৫০০ থেকে ৳৮০০, যেখানে দুইজন এটেন্ডেন্ট লাগে।
দুই ধরনের এটেন্ডেন্ট
কেয়ারগিভার এটেন্ডেন্ট
নন-ক্লিনিক্যাল সহায়তা
রোগীর সাথে থেকে খাওয়ানো, পরিচ্ছন্নতা, নড়াচড়া, নার্স ডাকা এবং পরিবারকে খবর দেওয়ার কাজ করেন।
নার্স এটেন্ডেন্ট
ক্লিনিক্যাল মনিটরিং
হাসপাতালের কর্মীদের পাশাপাশি ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন এমন রোগীর জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত নার্স।
এটেন্ডেন্ট যা করেন
- পুরো শিফট জুড়ে রোগীর সাথে থাকেন, যাতে রোগী কখনো একা না থাকেন
- খাওয়া ও পানি খাওয়ায় সাহায্য
- ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, কাপড় বদলানো ও বিছানার আশপাশ পরিষ্কার রাখা
- রোগীকে পাশ ফিরতে, উঠে বসতে ও নিরাপদে নড়াচড়ায় সাহায্য
- রোগীর অবস্থা বদলালে হাসপাতালের নার্স ও ডাক্তারকে ডাকা
- পরিবারকে খবর দেওয়া, যাতে রাতে কাউকে হাসপাতালে থাকতে না হয়
- নার্স এটেন্ডেন্ট থাকলে ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ
- রোগী ছাড়া পাওয়ার পর বাড়িতেও সেবা চালিয়ে যাওয়া
কাদের জন্য
- যেসব পরিবারের রোগী ভর্তি আছেন এবং রাতে একা রাখা যায় না
- যেসব কর্মজীবী স্বজন ছুটি নিয়ে বেডের পাশে বসে থাকতে পারেন না
- যাঁরা বিদেশে থাকেন এবং ঢাকায় বাবা-মা হাসপাতালে ভর্তি
- কমন ওয়ার্ডে থাকা রোগী, যেখানে হাসপাতালের কর্মীদের অনেক বেড সামলাতে হয়
- যেসব পরিবার ডিসচার্জের পর বাড়িতে সেবার পরিকল্পনা আগেভাগে করছেন
মূল্য তালিকা
হাসপাতালে সেবার খরচ হলো সাধারণ কর্মী রেটের সাথে হাসপাতাল পরিবেশের জন্য একটি সারচার্জ। আগে ঠিক করুন কেয়ারগিভার লাগবে না নার্স, তারপর কেবিন বা ওয়ার্ডের লাইনটি যোগ করুন। নিচের কোনো অঙ্কই একা মোট খরচ নয়।
| সেবার মেয়াদ | কেয়ারগিভার এটেন্ডেন্ট | নার্স এটেন্ডেন্ট |
|---|---|---|
| মূল কর্মী রেট, ৭ থেকে ২৯ দিন, প্রতিদিন | ৳১,১০০ থেকে ৳১,৫০০ | ৳২,০০০ (১২ ঘণ্টা) |
| হাসপাতাল কেবিন, প্রতিদিন যোগ | +৳২০০ | +৳২০০ |
| কমন ওয়ার্ড, প্রতিদিন যোগ, ২ জন কর্মী প্রয়োজন | +৳৫০০ | +৳৮০০ |
শর্তাবলি
- উপরের হাসপাতালের অঙ্কগুলো মূল কর্মী রেটের সাথে যোগ হওয়া সারচার্জ, মোট খরচ নয়।
- কমন ওয়ার্ডে ১ জনের বদলে ২ জন এটেন্ডেন্ট লাগে, কারণ খোলা ওয়ার্ডে একজনের পক্ষে নিরাপদে রোগী সামলানো সম্ভব নয়।
- ২৪ ঘণ্টার শিফটে ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম ও ৩টি খাবার। ১২ ঘণ্টার শিফটে ১টি খাবার।
- প্রতি এটেন্ডেন্ট মাসে ৪ দিন ছুটি। রিপ্লেসমেন্টে দৈনিক রেটের ৫০% যোগ হয়।
এটেন্ডেন্ট যেভাবে যাচাই করা হয়
- 1জাতীয় পরিচয়পত্র ও কেয়ারগিভিং বা নার্সিং সনদসহ কাগজপত্র যাচাই
- 2দলে যোগ দেওয়ার আগে ব্যাকগ্রাউন্ড চেক
- 3আমাদের নিয়োগ টিমের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎকার
- 4পরিবারের সাথে মেলানোর আগে পেশাদার প্রশিক্ষণ ও সনদ
- 5নিয়োগের পর নিয়মিত খোঁজখবর, মতামত সংগ্রহ ও কাজের মূল্যায়ন
যেসব এলাকায় সেবা দিই
আমরা ঢাকার হাসপাতালগুলোতে এটেন্ডেন্ট দিয়ে থাকি। আমাদের অফিস House 145, Road 3, Niketon, Gulshan 1 এ, তাই Gulshan, Banani, Baridhara ও Niketon এর আশপাশের হাসপাতালগুলো সবচেয়ে কাছে, পাশাপাশি বৃহত্তর ঢাকা শহরেও সেবা দিই।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ঢাকায় হাসপাতাল এটেন্ডেন্টের খরচ কত?
মূল কর্মী রেটের সাথে হাসপাতাল সারচার্জ যোগ হয়। টায়ার অনুযায়ী কেয়ারগিভার প্রতিদিন ৳১,১০০ থেকে ৳১,৫০০, নার্স ১২ ঘণ্টার জন্য প্রতিদিন ৳২,০০০। কেবিনে দিনে ৳২০০ যোগ হয়। কমন ওয়ার্ডে কেয়ারগিভারের জন্য ৳৫০০ বা নার্সের জন্য ৳৮০০ যোগ হয়, এবং দুইজন এটেন্ডেন্ট লাগে।
কমন ওয়ার্ডে দুইজন এটেন্ডেন্ট কেন লাগে?
খোলা ওয়ার্ডে একজন এটেন্ডেন্টের পক্ষে চব্বিশ ঘণ্টা একজন রোগীকে নিরাপদে সামলানো সম্ভব নয়, কারণ সেখানে আলাদা ঘর নেই, বেশি ব্যাঘাত ঘটে এবং চলাচল বেশি। দুইজন থাকলে একটানা সেবা দেওয়া যায়। এ কারণেই ওয়ার্ডের সারচার্জ কেবিনের চেয়ে বেশি।
ঢাকার যেকোনো হাসপাতালে কি এটেন্ডেন্ট দেন?
আমরা ঢাকার হাসপাতালগুলোতে এটেন্ডেন্ট দিয়ে থাকি। কে রোগীর সাথে কতক্ষণ থাকতে পারবেন, প্রতিটি হাসপাতাল তার নিজস্ব নিয়ম ঠিক করে। তাই আপনার রোগী কোন হাসপাতালের কোন ওয়ার্ডে আছেন জানান, বুকিংয়ের আগেই আমরা কী সম্ভব তা নিশ্চিত করে বলব।
ডিসচার্জের পর কি একই এটেন্ডেন্ট বাড়িতে থাকতে পারেন?
হ্যাঁ, এবং বেশিরভাগ পরিবার এটাই চান। রোগী ছাড়া পাওয়ার পর হাসপাতাল সারচার্জ বন্ধ হয়ে যায় এবং কেয়ারগিভার বা নার্সের সাধারণ বাড়ির রেট প্রযোজ্য হয়। হাসপাতাল-পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিকতা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটেন্ডেন্ট ইতিমধ্যেই রোগীর অবস্থা ও রুটিন জানেন।
এটেন্ডেন্ট আর নার্স কি এক জিনিস?
সবসময় নয়। কেয়ারগিভার এটেন্ডেন্ট খাওয়ানো, পরিচ্ছন্নতা, নড়াচড়া ও হাসপাতালের কর্মীদের ডাকার কাজ করেন। নার্স এটেন্ডেন্ট একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত নার্স, যিনি ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণও করতে পারেন। ভর্তি থাকা বেশিরভাগ রোগীর প্রথমটিই দরকার হয়, কারণ ক্লিনিক্যাল সেবা হাসপাতালের নিজস্ব নার্সরাই দেন।
শুধু রাতের জন্য কি এটেন্ডেন্ট নেওয়া যায়?
হ্যাঁ। রাতের সেবাই হাসপাতালের জন্য সবচেয়ে বেশি চাওয়া হয়, কারণ এই শিফটটাই পরিবারের পক্ষে নিজে সামলানো কঠিন। ২৪ ঘণ্টার শিফটে ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম ও ৩টি খাবার থাকে, আর ১২ ঘণ্টার শিফটে ১টি খাবার।
সম্পর্কিত সেবা
রোগী ভর্তি? আজই ফোন করুন
কোন হাসপাতাল, কেবিন না ওয়ার্ড, এবং রোগীর অবস্থা জানান। বুকিংয়ের আগেই কী সম্ভব এবং খরচ ঠিক কত, আমরা নিশ্চিত করে বলব।